📈 ঐতিহাসিক মূল্য বিশ্লেষণ

সোনার দামের ইতিহাস ও চার্ট (২০০৭ - ২০২৬) (Gold Price History & Chart — Bangladesh)

২০+ বছরের ডেটা
৪ ক্যারেট বিভাগ
৫০০%+ ১০ বছরে রিটার্ন
BAJUS অফিসিয়াল ডেটা
📊 গত ১৫ বছরের সোনা (Gold) মূল্য পরিবর্তনের বিস্তারিত রিপোর্ট
ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স এনালাইসিস টেবিল
সময়কাল ২২ ক্যারেট ২১ ক্যারেট ১৮ ক্যারেট সনাতন
৭ দিন
▼ ৳৩,২৬৬
(১.৪%)
▼ ৳৩,১৪৯
(১.৪%)
▼ ৳২,৬৮৩
(১.৪%)
▼ ৳২,১৫৮
(১.৪%)
১৫ দিন
▼ ৳২,৭৪১
(১.২%)
▼ ৳২,৬২৪
(১.২%)
▼ ৳২,২১৬
(১.২%)
▼ ৳১,৮০৮
(১.২%)
৩০ দিন
▼ ৳৪,৮৯৯
(২.১%)
▼ ৳৪,৭২৪
(২.১%)
▼ ৳৪,০২৪
(২.১%)
▼ ৳৩,২৬৬
(২.১%)
৬০ দিন (২ মাস)
▼ ৳৮,৭৪৮
(৩.৭%)
▼ ৳৮,৩৯৮
(৩.৭%)
▼ ৳৭,১৭৪
(৩.৭%)
▼ ৳৫,৮৩২
(৩.৭%)
১০০ দিন
▲ ৳৬,০৬৫
(২.৭%)
▲ ৳৫,৭৭৪
(২.৭%)
▲ ৳৪,৯৫৭
(২.৭%)
▲ ৳৪,০২৪
(২.৭%)
৬ মাস
▼ ৳২২,১৬২
(৮.৯%)
▼ ৳২১,০৫৩
(৮.৮%)
▼ ৳১৭,৬৭১
(৮.৬%)
▼ ৳১৩,৯৩৯
(৮.৪%)
৯ মাস
▼ ৳১০,৮৪৮
(৪.৫%)
▼ ৳১০,২৬৪
(৪.৫%)
▼ ৳৮,৩৯৮
(৪.৩%)
▼ ৳৭,৩৪৯
(৪.৬%)
১ বছর
▲ ৳১১,৬৯৯
(৫.৪%)
▲ ৳১১,২৬৮
(৫.৫%)
▲ ৳১০,০৩১
(৫.৭%)
▲ ৳৫,৪৪৭
(৩.৭%)
২ বছর
▲ ৳৯০,৫৮২
(৬৫.৯%)
▲ ৳৮৬,৫৭০
(৬৬.০%)
▲ ৳৭৪,৫৭৯
(৬৬.৩%)
▲ ৳৬০,৫১২
(৬৫.৬%)
৫ বছর
▲ ৳১,৫৩,৭৩১
(২০৬.৯%)
▲ ৳১,৪৬,৬১৭
(২০৬.১%)
▲ ৳১,২৪,৬৩০
(১৯৯.৭%)
▲ ৳১,০০,৭১৮
(১৯৩.৪%)
৮ বছর
▲ ৳১,৮০,৫৫৯
(৩৮০.৩%)
▲ ৳১,৭২,৫৬৯
(৩৮১.৮%)
▲ ৳১,৪৬,৯০৮
(৩৬৬.১%)
▲ ৳১,২৫,২১৩
(৪৫৩.৯%)
১০ বছর
▲ ৳১,৭৯,৬৮৪
(৩৭১.৭%)
▲ ৳১,৭১,৫৭৮
(৩৭১.৫%)
▲ ৳১,৪৭,৪৩৩
(৩৭২.৩%)
▲ ৳১,২৫,২৭১
(৪৫৫.১%)
১৫ বছর
▲ ৳১,৭১,৯২৭
(৩০৬.৪%)
▲ ৳১,৬৪,১৭১
(৩০৬.৩%)
▲ ৳১,৪১,০৭৬
(৩০৭.০%)
▲ ৳১,১৭,৮০৬
(৩৩৬.৭%)
* এই ডেটা ঐতিহাসিক বাজার দরের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। ট্রেন্ড এনালাইসিসের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।

স্বর্ণের দামের বিভিন্ন সময়ের গ্রাফ রিপোর্ট

📊 বিস্তারিত বার্ষিক স্বর্ণের মূল্য রিপোর্ট

বছরভিত্তিক সোনার দামের পরিবর্তন, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দরের ইতিহাস দেখতে আমাদের ডেডিকেটেড বার্ষিক রিপোর্ট পেজ ভিজিট করুন।

বিস্তারিত বার্ষিক রিপোর্ট দেখুন ➜

স্বর্ণের দামের ইতিহাস: বাংলাদেশে গত এক দশকের বাজার বিশ্লেষণ (Historical Analysis)

বাংলাদেশে স্বর্ণের সঠিক দামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, এটি সময়ের সাথে সাথে নির্ভরযোগ্য সম্পদের মর্যাদা বজায় রেখেছে। বিগত এক দশকে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরি প্রতি প্রায় ৪২,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৬০,০০০ টাকার ওপরে পৌঁছেছে। এই অভাবনীয় বৃদ্ধির পেছনে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক কারণ কাজ করেছে। Historical Price Data বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মুদ্রাস্ফীতি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান হ্রাস পাওয়া হলো এই দাম বাড়ার মূল কারণ।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে স্বর্ণের দামের বিবর্তন (Price Evolution since 1971)

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় স্বর্ণের দাম ছিল অবিশ্বাস্য রকমের সাশ্রয়ী। সেই সময় ১ ভরি ভালো মানের সোনার দাম ছিল মাত্র কয়েকশ টাকা। আশি এবং নব্বইয়ের দশকে দাম ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করলেও তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই ছিল। কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে আন্তর্জাতিক সোনার বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশের জুয়লারি শিল্পের অভিভাবক সংগঠন BAJUS তখন থেকেই নিয়মিত দর নির্ধারণ ও বাজার তদারকি করতে শুরু করে।

বিগত ১০ বছরের বিস্তারিত বছরওয়ারী বিশ্লেষণ (Year-by-Year Breakdown)

২০১৫ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সোনার দামের ট্রেন্ড লক্ষ্য করলে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাঁক দেখতে পাই:

স্বর্ণ বনাম অন্যান্য বিনিয়োগ (Investment Comparison)

একজন স্মার্ট বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনাকে জানতে হবে স্বর্ণ অন্যান্য অ্যাসেট ক্লাসের তুলনায় কেমন পারফর্ম করেছে:

আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় দরের পার্থক্য (Domestic vs International Rates)

অনেকেই প্রশ্ন করেন যে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে বাংলাদেশে কেন সাথে সাথে কমে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো:

  1. Import Duty (আমদানি শুল্ক): বাংলাদেশে স্বর্ণ আমদানিতে উচ্চহারে ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়, যা মূল দরের সাথে যুক্ত হয়।
  2. L/C Complexity: ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা কঠিন হলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কমে যায়, যা দাম বাড়িয়ে দেয়।
  3. Logistics and Insurance: স্বর্ণ পরিবহন ও বীমা খরচ অনেক বেশি, যা শেষ পর্যন্ত ক্রেতাকেই পরিশোধ করতে হয়।

মুদ্রাস্ফীতি ও সোনার ঐতিহাসিক সম্পর্ক (Inflation Hedge)

অর্থনীতিবিদদের মতে স্বর্ণ হলো 'Inflation Hedge'। এর অর্থ হলো যখন সাধারণ নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয় এবং মুদ্রার মান কমে যায়, তখন স্বর্ণ ঢাল হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে গত ১০ বছরে যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হয়েছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে স্বর্ণের দামও বেড়েছে। একারণেই বিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিও'র অন্তত ১০-১৫% স্বর্ণে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ হওয়ার রেকর্ডসমূহ (Record High Prices)

ইতিহাসে প্রথমবারের মত ২০২৪ সালে যখন স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা অতিক্রম করে, তখন এটি বড় সংবাদে পরিণত হয়। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসে আমরা দেখছি দাম ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশের জুয়লারি ইতিহাসের সবচাইতে বড় 'Bull Run'। আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী ভবিষ্যতে দাম ৩ লাখ টাকার ঘর স্পর্শ করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

হিস্ট্রি ও মার্কেট ট্রেন্ড সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

বাংলাদেশে সোনার ঐতিহাসিক দর, রেকর্ড বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ ট্রেন্ড সংক্রান্ত জরুরি তথ্যাবলী

বিগত ১০ ও ১৫ বছরে সোনা কত শতাংশ লাভ (Return) দিয়েছে?
বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশে স্বর্ণ প্রায় ৪০০% এবং ১৫ বছরে প্রায় ৩০০% এর বেশি রিটার্ন দিয়েছে। অর্থাৎ ১০ বছর আগে ১ লাখ টাকার সোনা কিনে ধরে রাখলে আজ তার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে, যা ব্যাংক এফডিআর বা সঞ্চয়পত্রের চেয়েও অনেক বেশি লাভজনক।
বাংলাদেশে ১ ভরি সোনার সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড (All-time High) কত?
চার্টের ঐতিহাসিক ডাটা অনুযায়ী বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট সোনার সর্বকালের সর্বোচ্চ (All-time High) রেকর্ড হলো প্রতি ভরি ৳ ২,৮৬,০০১ টাকা (H 286,001)।
ইতিহাসে সোনার দাম কি কখনো কমেছিল? (Market Correction)
হ্যাঁ, স্বল্পমেয়াদে বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত হলে বা মার্কিন ডলারের মান শক্তিশালী হলে সোনার দামে ৫–১৫% পর্যন্ত সাময়িক দরপতন বা 'মার্কেট কারেকশন' ঘটে। তবে দীর্ঘমেয়াদী ১০–২০ বছরের ইতিহাসে সোনার মূল্যের সার্বিক ট্রেন্ড সবসময়ই ঊর্ধ্বমুখী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১ ভরি সোনার দাম কত ছিল?
১৯৭১–৭২ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক পর ১ ভরি সোনার দাম ছিল মাত্র ১৬০–২০০ টাকা। ১৯৯০ সালের শুরুতে এটি পৌঁছায় প্রায় ৩,৫০০–৪,০০০ টাকায় এবং ২০০০ সালে ছিল প্রায় ৭,০০০ টাকা। আজ সেই স্বর্ণ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার দ্বারপ্রান্তে।
ঐতিহাসিক চার্ট দেখে সোনা কেনার সঠিক সময় কীভাবে বুঝবেন?
চার্টের মুভিং অ্যাভারেজ ও হিস্টোরিক্যাল গ্রাফ পর্যালোচনা করে যখন দেখা যায় দাম কোনো রেজিস্ট্যান্স থেকে কিছুটা 'ডিপ' (Dip) নিয়েছে অথবা বিয়ের অফ-পিক সিজনে (যেমন বর্ষা বা শরৎকালে) বাজার স্থিতিশীল থাকে, তখন সোনা কেনা সবচেয়ে লাভজনক।
আন্তর্জাতিক খবরের চেয়ে বাংলাদেশে সোনার দাম কিছুটা বেশি মনে হয় কেন?
আন্তর্জাতিক দর নির্ধারিত হয় 'Troy Ounce' (৩১.১০৩ গ্রাম) ও মার্কিন ডলারে। বাংলাদেশে বাজুস দাম নির্ধারণের সময় সরকারি আমদানি শুল্ক (Duty), স্থানীয় ডলার কার্ব রেট এবং ভ্যাট যোগ করে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) হিসেবে প্রকাশ করে, তাই আন্তর্জাতিক খবরের সাথে সরাসরি টাকার অংকে পার্থক্য থাকে।

এই পেজটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

আপনার মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

4.7/5 (25 Votes)